Header Ads Widget

Responsive Advertisement

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১% ভোটারের স্বাক্ষর শর্ত অযৌক্তিক


চরকা ডেস্ক ঃ

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, চলমান নির্বাচন হবে আগামীর গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপনের সুযোগ। নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের প্রার্থিতা অকারণে বাতিল করা হলে নির্বাচন কখনোই গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক হতে পারে না। তিনি বিশেষ করে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের বাধ্যবাধকতাকে অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন।

সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের নতুন বাজার এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত ‘গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, সংস্কার ও নির্বাচনী ইশতেহার শীর্ষক সংলাপে সুজনের ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর শাখা এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, তাদের বড় অংশই স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের জন্য ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা বাস্তবতা বিবর্জিত।

ড. বদিউল আলম বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ছিল, প্রার্থীদের মাত্র ৫০০ জনের স্বাক্ষর গ্রহণের মাধ্যমে হলফনামার মাধ্যমে প্রার্থিতা অনুমোদন করা হোক। এতে স্বাক্ষর যাচাইয়ের নামে চাপ প্রয়োগ বা জালিয়াতির সুযোগ থাকত না। তবে দুঃখজনকভাবে নির্বাচন কমিশন প্রস্তাবটি অন্তর্ভুক্ত করেনি।

নির্বাচন ও প্রশাসনের আচরণ সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করা সরকারের এবং নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। পাশাপাশি, গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত তিন স্তরের সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।

সংলাপে ময়মনসিংহ জেলা-মহানগর সুজন সভাপতি মিজানুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কামরুল আহসান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোস্তাক আহাম্মদ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির লিয়াকত আলী, কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী এমদাদুল হক। এছাড়াও মহানগর সুজন সভাপতি অ্যাডভোকেট শিব্বির আহমেদ লিটন, জেলা সুজন সম্পাদক ইয়াজদানী কোরায়শি কাজল এবং মহানগর সম্পাদক আলী ইউসুফ ছাড়াও সংলাপে অংশগ্রহনকারী বিভিন্ন শ্রেনী পেশার ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যানজট নিরসন, দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধ, পরিকল্পিত নগরায়ণ, নারীবান্ধব পরিবেশ, খেলার মাঠ বৃদ্ধি এবং কৃষি খাতে সিন্ডিকেট ভাঙার দাবি তুলে ধরেন। প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধান ও নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দেন।

 

Post a Comment

0 Comments