স্টাফ রিপোর্টার ঃ ধর্মীয় পরিচয়ে সনাতন ধর্মের। কিন্তু তার কর্মগুলো অতিক্রম করে ধর্মীয় পরিচয়কে। তার কর্ম তাকে তোলে ধরেছে মানুষ পরিচয়ে। মানুষ পরিচয়কে উদ্ভাসিত করে ফুটে উঠে তার কর্মগুলো। চোখ খুলে দেয়ার রশদ জোগায় অপরাপর মানুষকে। অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনে বীজ বুনে জমিনে। যেন অসাম্প্রদায়িক মানুষ পরিচয়টা মূখ্য হয়ে উঠে মনুষ্য সমাজে। কখনো সে ছুটে যায় এতিমখানায় এতিম শিশুদের কাছে। কখনো ছুটে যায় ছিন্নমূল মানুষের কাছে। মানুষ পরিচয়ের পতাকা উড়িয়ে এভাবেই ছুটে চলে অজিত।
মানুষ পরিচয়ের অসংখ্য কর্মের মাঝে একটি কর্ম প্রতি রমযান মাসে ছিন্নমূল মানুষের জন্য ইফতার আয়োজন। দীর্ঘ ১০ বছর যাবত ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে রমযান মাসে ছিন্নমূল মানুষের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে ইফতারের আয়োজন করে আসছে। এবারো তার ব্যত্যয় ঘটেনি। আজ (১৮ মার্চ ২০২৬) প্রায় দুই শতাধিক ছিন্নমূল মানুষকে ইফতার করিয়েছে।
অজিত বণিক এদেশের ধর্মীয় বিচ্ছেদপূর্ণ সমাজে এক অনন্য আলোকবর্তিকা। অজিত তার কর্মের মাধ্যমে সমাজে জানান যেয় মানুষ পরিচয়টাই মূখ্য। যা আমাদের বিচ্ছেদপূর্ণ সমাজে আজ বড্ড প্রয়োজন। অজিত মত তরুনরা মানুষ পরিচয়কে উর্ধ্বে তোলে ধরে এমন কর্মে যত সম্পৃক্ত হবে সমাজ তত সকলের জন্য অসাম্প্রদায়িক রূপে প্রস্ফূটিত হবে। যা সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে অন্যতম রশদ হিসেবে কাজ করবে।
অজিত বণিক তার কর্ম সম্পর্কে বলেন, আমার কাছে মানুষ পরিচয়টাই মূখ্য। তাই এ আবহে কাজ করে আমি তৃপ্তি পাই। যতদিন বেঁচে থাকবো এভাবেই মানুষ পরিচয়কে উর্ধ্বে তোলে ধরে কাজ করে যাব।
0 Comments